মোস্তাফিজুর রহমান ইনজুরি থেকে ফিরে একাই নিয়েছেন পাঁচ উইকেট। বল হাতে দাপট দেখিয়েছেন নাহিদ রানা, শরিফুল ইসলামও। যাতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডেতে বড় ব্যবধানে জিতেছে বাংলাদেশ। নাজমুল হোসেন শান্তর সেঞ্চুরিতে আগে ব্যাট করে ২৬৫ রান তুলেছিল বাংলাদেশ। মোস্তাফিজ-নাহিদ রানাদের দাপটে পরে কিউইরা গুটিয়ে গেছে ২১০ রানে। যাতে ৫৫ রানে ম্যাচ জিতেছে বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) চট্টগ্রাম বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় নিউজিল্যান্ড।

আগে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। ওপেনার সাইফ হাসান ডাক হয়ে ফেরেন সাজঘরে। আরেক ওপেনার তানজিদ তামিম ফেরেন ৫ বলে ১ রান করে। দুটি চারে ২৬ বলে ১৮ করা সৌম্য সরকার আউট হলে অনেকটা চাপেই পড়ে বাংলাদেশ।

তবে, লিটনকে সাথে নিয়ে উইকেট সামলে নাজমুল হাসান শান্তর দৃঢ় ব্যাটিংয়ে শুরুর ধাক্কা সামলে ওঠে টাইগাররা। ছাব্বিশতম ওভারে এসে শান্ত তুলে নেন ফিফটি। ফিফটি করতে ৭০ বল খেলেন শান্ত।

৭১ বল খেলে ফিফটি তুলে নেন আরেক ব্যাটসম্যান লিটন দাস। দীর্ঘ ১৯ ইনিংস পর ফিফটির দেখা পান তিনি। ৯১ বলে ৭৬ রান করে লেনক্সের বলে এগিয়ে এসে খেলতে গিয়ে বোল্ড হন লিটন।

ষষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে তাওহীদ হৃদয় মাঠে আসলে তাকে নিয়ে সেঞ্চুরির দিকে আগান শান্ত। ১১৪ বলে শান্ত তুলে নেন ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি। রানের গতি বাড়াতে গিয়ে সীমানায় ক্যাচ দিয়ে ১০৫ রানে আউট হন শান্ত।

ইনিংসের ৪৮তম ওভারে দলীয় ২৫৬ রানে অধিনায়ক মিরাজ আউট হওয়ার পরবর্তী ওভারে আরও ২ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের ইনিংস থামে ৮ উইকেটে ২৬৫ রান সংগ্রহ করে।

২৬৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি কিউইদের। চতুর্থ ওভারেই উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড। মুস্তাফিজুর রহমান নিজের করা দ্বিতীয় ওভারেই এনে দেন ব্রেক থ্রু।

এরপর উইল ইয়ংকে নিয়ে কিউইদের টানছিলেন নিক কেলি। ১৯ রান করা ইয়ংকে ফিরিয়ে এই জুটি অবশ্য বড় হতে দেননি নাহিদ রানা। ৮০ বলে ৬টি চার ১টি ছয়ে ৫৯ রান করা কেলিকে ফিরিয়েছেন মোস্তাফিজু রহমান। এরপর থেকে নিয়মিতই উইকেট হারিয়েছে সফরকারীরা।

শেষ দিকে ৭২ বলে ৭৫ রান করার পথে ফক্সক্রফট ছক্কা হাঁকিয়েছেন ৭টি। ৪৪.৫ ওভারে ২১০ রানে থেমেছে নিউজিল্যান্ড।

বাংলাদেশের পক্ষে মোস্তাফিজুর রহমান ৯ ওভার বোলিং করে ২ মেডেনে ৪৩ রান খরচায় নিয়েছেন ৫ উইকেট। নাহিদ রানা ১০ ওভারে ১ মেডেনে ৩৭ রান দিয়ে নিয়েছেন ২ উইকেট। মেহেদি হাসান মিরাজ ৩৬ রানে নিয়েছেন ২ উইকেট।